একাত্তরের পরাজিত শক্তি, মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামাতে ইসলাম ও ইসলামি ছাত্র শিবিরকে আইনগতভাবে দ্রুত নিষিদ্ধ করে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী। আজ (৩১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাকের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানিয়ে নেতারা বলেন, জামাত ও শিবিরকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নির্মূল করতে হবে। ‘বাহাত্তরের সংবিধান পূন:প্রতিষ্ঠা, জামাতÑশিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে দ্রুত আইনগত ভাবে বাস্তবায়ন ও দেশব্যাপী জামাত শিবিরের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম প্রতিহতের দাবিতে’ ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য নুর আহমদ বকুল বলেন, “জামায়াতের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রের অনুকূলে নেয়া ও জঙ্গিবাদী অর্থের উৎস বন্ধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে রক্ষা করতে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।”
যুব মৈত্রীর সভাপতি তৌহিদুর রহমান ছাত্রদের ন্যায্য আন্দোলনের বিজয় অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, “ছাত্র আন্দোলনে অনাকাঙ্খিত প্রতিটি মৃত্যুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।” একই সাথে তিনি ছাত্রদের আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াতÑশিবিরের সন্ত্রাসীদের রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে এই রাষ্ট্রবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ মিনার, কায়সার আলম। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস।