29 C
Dhaka
শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১

অনলাইন টিভি

Bangladesh
1,549,553
কোভিড-১৯ সর্বমোট আক্রান্ত
Updated on September 25, 2021 5:45 AM
Homeশিক্ষা সংস্কৃতিশিক্ষারাবির প্রথম ইমেরিটাস অধ্যাপক এ বি এম হোসেন আর নেই

রাবির প্রথম ইমেরিটাস অধ্যাপক এ বি এম হোসেন আর নেই


রাবি প্রতিবেদক :
 আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ইতিহাসবিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ বি এম হোসেন (৮৪) মারা গেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টায় রাজধানীর স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ।

আখন্দ জানান, এবিএম স্যারের মৃত্যুতে আমরা একজন অভিভাবক হারালাম, জাতি হারালো একজন বিদগ্ধজন। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

এ বি এম হোসেনের পুরো নাম আবুল বাশার মোশারফ হোসেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ও ইসলামী শিল্পকলা বিষয়ের বিশেষজ্ঞ। তাঁর জন্ম ১৯৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলায় ধামতী গ্রামে।

দেবীদ্বার হাই স্কুল, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক সম্মান ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সাফল্যে তৎকালীন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চশিক্ষার নিমিত্তে তাঁকে মেধাবৃত্তি দিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করেন।

সেখানে তিনি ১৯৫৮ ও ১৯৬০ সালে ইতিহাস ও ইসলামিক আর্কিওলজিতে যথাক্রমে বিএ অনার্স ও পিএইচ.ডি লাভ করে মেধার স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৬০ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা আরম্ভ করেন এবং ১৯৭২ সালে পূর্ণ প্রফেসর পদে উত্তীর্ণ হন।

পরবর্তীতে তিনি বিভাগীয় প্রধান, চেয়ারম্যান, কলা অনুষদের ডীন ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছিলেন। তিনি ২০০১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম প্রফেসর এমিরিটাস হিসাবে সম্মাননা প্রাপ্ত হন। তাঁর নিবিড় গবেষণার বিষয়বস্তু ইসলামী শিল্পকলা হলেও তিনি তাঁর মূলধারার বিষয় মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস থেকে সরে দাড়ান নি।

তার লিখিত গবেষণা গ্রন্থের সংখ্যা ১১। ১৯৭৭ সালে নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য গঠিত বোর্ডে তাদের মনোনীত সদস্য নির্বাচিত করে। তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ও বাংলা একাডেমির আজীবন ফেলো।

সর্বশেষ