ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। শুক্রবার (১ মে) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা এমন সময় এলো যখন কিনা যুদ্ধবিরতির জন্য পাকিস্তান জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে তুরস্কের গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনবে মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির অন্যতম মিত্র কাতার। প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমসহ কাতারের কাছে ৪১০ কোটি ডলারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করা হবে। এছাড়া দেশটির কাছে ৯৯২ দশমিক চার মিলিয়ন ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেম বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র।স্টেট ডিপার্টমেন্টের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, কুয়েতের কাছে ২৫০ কোটি ডলারের একটি সমন্বিত ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম এবং ইসরায়েলের কাছে ৯৯২ দশমিক চার মিলিয়ন ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেমস বিক্রি করা হবে। এছাড়া আরব আমিরাতের কাছে ১৪৭ দশমিক ছয় মিলিয়ন ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেমস বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, কাতার, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেমস বিক্রি করবে ঠিকাদার কোম্পানি বিএই সিস্টেম। এছাড়া কুয়েতে কাছে সমন্বিত ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম এবং কাতারের কাছে প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করবে ঠিকাদার কোম্পানি আরটিক্স ও লোকহেড মার্টিন। টিআরটি জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলা চালায় তেহরান। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তারা।
গত ৮ এপ্রিল থেকে ইরানে যুদ্ধবিরতি চলছে। এরপর যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর জন্য বৈঠক হলেও তা ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয় দফায় বৈঠকের কথা থাকলেও তা আর হয়নি। এই যুদ্ধের জন্য নিজের ঘরে বেশ বিপাকে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার কংগ্রেস সদস্যদের উদ্দেশে এক চিঠিতে ট্রাম্প ‘শত্রুতামূলক কার্যক্রম সমাপ্ত’র কথা জানান। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানের কোনও পরিবর্তন আসেনি।
সুত্র- টিআরটি ওয়ার্ল্ড



