29 C
Dhaka
শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১

অনলাইন টিভি

Bangladesh
1,549,553
কোভিড-১৯ সর্বমোট আক্রান্ত
Updated on September 25, 2021 4:45 AM
Homeসারাদেশদিনাজপুরে চলছে নামমাত্র বিধিনিষেধ 

দিনাজপুরে চলছে নামমাত্র বিধিনিষেধ 

দিনাজপুর প্রতিনিধি: সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জেলা কমিটি ১৫ জুন মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে ২১ জুন সোমবার রাত ১২টা পযর্ন্ত বিধিনিষেধ (লকডাউন) ঘোষণা করে। দিনাজপুর সদরের প্রবেশদ্বারে (কলেজ মোড়,মহারাজা মোড়,মেডিকেল কলেজ মোড়,পুলহাট এবং কাঞ্চন ব্রীজ) ব্যাপক পুলিশ প্রশাসন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু শহরের ভিতরে বেশিরভাগ মানুষের মাস্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বরং লকডাউনে মানুষ আরও বেশি বাইরে ঘোরাফেরা করছে। জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত গণ বিজ্ঞপ্তিতে ১৩ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো,জরুরী প্রয়োজনে মটর সাইকেল বের করলে চালকের পেছনে কউকে বহন করা যাবে না। কিন্তু বাস্তব চিত্র উল্টো, মটর সাইকেলে ৩জন করে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে;কারো কারো মাস্কও থাকছে না। প্রশাসন তাদের কিছুই বলছে না। বিভিন্ন যায়গায় চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে অনেককে।

বিধিনিষেধ (লকডাউন) শুরুর দিন যদিও আইনশৃঙখলা বাহিনী তৎপর থাকলেও;যেমনি দিন বাড়ছে,তাদের তৎপরতা কমছে। শহরের প্রবেশদ্বার দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন ঢুকতে দেখা যায়। যেখানে গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে বিধিনিষেধ (লকডাউন) চলাকালে শহর থেকে কোনো যানবাহন বাইরে যেতে এবং প্রবেশ করতে পারবে না। শহরে এসব যানবাহন ঢুকার ফলে করোনা সংক্রমণের হার দিন দিন বাড়ছে। যেখানে ১৫ জুনে মোট ৮০টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয় ২৬টি; সদরেই ১৯টি। ১৬ জুনে মোট ১৯৫টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয় ৭৬টি; সদরেই ৬০টি।১৭ জুনে মোট ৭৪৪টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয় ২৭৫টি; সদরেই ১৯০টি,মৃত ৩জন, মোট মৃত ৭৪ জন। এই আক্রান্তের পরিসংখ্যান দেখে দিনাজপুর সদর ৩ আসনের এম.পি জননেতা ইকবালুর রহিম (হুইপ জাতীয় সংসদ) তিনি সদরে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে (সড়ক প্রচার) মাইকিং চালু করেন। এ পরিসংখ্যান দেখে বোঝা যায় যে,সদরের অবস্থা কতটা ভয়াবহ?এখন থেকে এ বিষয়ে সচেতন না হলে আগামীতে খুব বড় বিপদে পড়তে চলছে সদরবাসী। আরেকটা কথা না বললেই নয়,সদরের লোকেরা বিধিনিষেধগুলো মানতে নারাজ। তারা প্রশাসনকে সহযোগীতা করছে না। তারা যদি একটু সচেতন হয়,অপ্রয়োজনে বাইরে না যায়,মাস্ক পরে বের হয়,তাহলেই সদরের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা যায়।

সর্বশেষ