34 C
Dhaka
শনিবার, অক্টোবর ১৬, ২০২১

অনলাইন টিভি

Bangladesh
1,564,485
কোভিড-১৯ সর্বমোট আক্রান্ত
Updated on October 15, 2021 1:14 AM
Homeসম্পাদকীয়মুক্তমতপদ্মাসেতু, আবুল বারকাতের গবেষণা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

পদ্মাসেতু, আবুল বারকাতের গবেষণা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

।। ড. মতিউর রহমান ও শিশির রেজা ।।

ড. মতিউর রহমান
শিশির রেজা

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর প্রিয় বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি স্বাধীনতার পরপরই বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগী হতে উদাত্ত আহবান জানিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন “কাউকে পিছনে ফেলে নয়, সবাইকে সাথে নিয়ে”-এদেশটিকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, বঞ্চনামুক্ত, সকল প্রকার বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলতে। বঙ্গবন্ধুর চিন্তাজগতের এসব বিষয়ে আজ জাতিসংঘের ‘সাসটেইনেবল ডেপেলপমেন্ট গোল’ (এসডিজি) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’র মূল স্লোগান হিসেবে সারা বিশ্বে উচ্চারিত হচ্ছে।

আমরা জানি, সেই সময় অনেক প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদকে বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করেছিলেন। তৎকালে বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন-এর সহযোগী অনেকেই হয়েছিলেন। যাদের অনেকেই পরবর্তীকালে তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন। বাঙালি জাতির সৌভাগ্য বঙ্গবন্ধুর সেই উন্নয়ন দর্শন-এর আলোকে, তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবিরামভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা, অকুতোভয় ও অসীম সাহসী, বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী ও দুঃস্থ মানুষের ভরসার স্থল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা তৃতীয় বিশে^র মত দেশের সরকারপ্রধানরা ইচ্ছা করলে ক্ষমতায় এসে দেশের জন্য কোনো কাজ না করে ক্ষমতা শেষে দেশে ও দেশের বাইরে বিলাসী জীবন কাটাতে পারেন। দেশে-বিদেশে যার অসংখ্য পূর্ববর্তী উদাহরণ আছে। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেপথে যাননি। তিনি প্রকৃত অর্থেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে উন্নত ও মর্যাদাশীল একটি রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর অন্যান্য অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি অনেকগুলো মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করেন। সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো ‘পদ্মাসেতু নির্মাণ’ প্রকল্প। পদ্মাসেতু প্রকল্প নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে, অনেক বির্তক হয়েছে। এটি বাংলাদেশীদের জন্য একটি স্বপ্ন হিসেবে চিত্রিত বা রূপায়িত হয়েছিল। আর এই স্বপ্নের চিত্রকর বা রূপকার ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশেষে যখন তথাকথিত দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতাগোষ্ঠী সরে দাঁড়ালো তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নিমার্ণের দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন। এটা আমাদের জানা নেই যে, তিনি কিসের ভিত্তিতে, কোন ভরসায় এরকম একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলেন।

তবে এই ঘটনার পরপরই আমরা দেখতে পেয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর মানবিক উন্নয়ন দর্শনের একজন নিস্বার্থ ছাত্র ও স্বনামধন্য গবেষক অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত পদ্মাসেতু নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী ও প্রায়োগিক একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেন যা ওইসময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। বৃহৎ গবেষণাপত্রটির শিরোনাম ছিল “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সুযোগ”। ওইসময় প্রবন্ধটি একটি পুস্তিকাকারে প্রকাশিত হয়। ২০১২ সালে গবেষিত ও প্রকাশিত তার এই পুস্তিকাটি কিছু নবসংযোজনসহ অতি সম্প্রতি গ্রন্থাকারে দ্বিতীয়বার প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্থটির শিরোনাম “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেত জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সুযোগ‒ ২০১২ সালে গবেষণায় প্রমাণিত‒ ২০২১ সালে দৃশ্যমান বাস্তবতা”।

গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও মুক্তবুদ্ধি প্রকাশনা। গ্রন্থটির দ্বিতীয় প্রকাশ সম্পর্কে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির কার্যনির্বাহক কমিটি যে ভূমিকা-বক্তব্য প্রদান করেছেন সেটি এখানে উদ্ধৃত করলে এই বইটির প্রকাশ সম্বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত ও সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যাবে বলে আমরা মনে করি। “….অধ্যাপক আবুল বারকাত উত্থাপিত “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু: জাতীয় ঐক্যের শ্রেষ্ঠ সুযোগ” শীর্ষক দীর্ঘ ও স্ব-ব্যাখ্যায়িত গবেষণা দলিলটি আমাদের জাতীয় সেমিনারের পরপরই দেশের সব পত্রপত্রিকাসহ গণমাধ্যমে জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক বিষয় হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়; জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো যা বিশেষ ক্রোড়পত্র হিসেবে পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ করে।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, গবেষণা দলিলটি প্রকাশের সমসাময়িককালে এ দেশের বুদ্ধিজীবী মহলের বেশ বড় অংশ একদিকে অধ্যাপক আবুল বারকাতের “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রস্তাবনা অবাস্তব-অলীক বলে বর্জন করে; আর অন্যদিকে একই সাথে লাগাতার বলতেই থাকে যে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ছাড়া পদ্মা সেতু নির্মাণ অসম্ভব। এদের কারো কারো ঔদ্ধত্য সীমা ছাড়িয়ে অধ্যাপক বারকাতের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছায়। এসবই এখন থেকে মাত্র আট বছর আগের কথা।

এখন ২০২১ সালে নিজ অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ একটি দৃশ্যমান বাস্তবতা। সেতুর সর্বশেষ স্প্যান বসানো হয়েছে। সম্ভবত আগামী এক বছরের মধ্যে (২০২২ সালে) দেশের মানুষ পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে চলাচল শুরু করবে। নিজস্ব অর্থে সেতু নির্মাণের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ইতিহাসের সত্যতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে আমরা ২০১২ সালের ১৯ জুলাই-এ উত্থাপিত ও প্রকাশিত অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত রচিত “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু: জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সুযোগ” গবেষণাগ্রন্থটি হুবহু পুনঃপ্রকাশ (দ্বিতীয় প্রকাশ) করলাম। . . . ”

এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, পদ্মাসেতু এ দেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবার ক্ষেত্রে ও জাতীয় একতা বৃদ্ধিতে এই সেতু মেলবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে ড. বারকাত কর্তৃক “নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু: জাতীয় ঐক্যের শ্রেষ্ঠ সুযোগ”, গবেষণা কর্মটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেই আমাদের নিকট প্রতীয়মান হয়।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা ও গবেষণায় ড. বারকাত যে অবদান রেখেছেন ও রেখে যাচ্ছেন তার গুরুত্ব অপরিসীম। এ পর্যন্ত তিনি যত গবেষণাকর্ম করেছেন সেসবের কয়েকটি মাইলফলক বা দিকনির্দেশক হিসেবে যেমন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত হয়েছে তেমনি এদেশের উন্নয়নে তথা নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অতি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর “বড় পর্দায় সমাজ-অর্থনীতি-রাষ্ট্র: ভাইরাসের মহাবিপর্যয় থেকে শোভন বাংলাদেশের সন্ধানে” শীর্ষক একটি মাষ্টারপিস গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি দেশে এবং দেশের বাইরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। করোনা মহামারির শুরুতেই তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন সামনে বিশ^ব্যাপী কী বির্পয়য় ঘটতে যাচ্ছে। আর তাই তিনি নিরলস পরিশ্রম করে, দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রীকে বিছানায় রেখে, রাতের পর রাত জেগে, ভগ্নস্বাস্থ্য হয়ে আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন এক মহামূল্যবান অভিসর্ন্দভ যা বাংলাদেশ তথা বিশ^ব্যাপী করোনা মহামারি উত্তর যে শোভন সমাজ গঠিত হবে- সেই শোভন সমাজ বিনিমার্ণের অশ্রুতপূর্ব তত্ত্ব।

এদেশে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিষয়ে প্রথম গভীর ভাবনা ও মৌলিক গবেষণা শুরু করেন অধ্যাপক আবুল বারকাত। মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ যে বাংলাদেশকে বিপদজনক মাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে তা তিনি আজ থেকে ২০-২৫ বছর আগেই অনুধাবন করেছিলেন। যার প্রমাণ আমরা বিগত দশকগুলোতে প্রত্যক্ষ করেছি ও করছি। খাস জমি, কৃষি-ভূমি-জলা সংস্কার, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বঞ্চনা, আদিবাসি সম্প্রদায়ের জীবন-জীবিকা, তামাকের উপর করারোপ, নারীর ক্ষমতায়ণ, শিশুর বিকাশ, প্রতিবন্ধী মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, খাবার পানিতে আর্সেনিকের সাথে দরিদ্রতার সম্পর্ক, বাংলাদেশের মানুষের বহুমাত্রিক দারিদ্র-বৈষম্য- অসমতা ইত্যাদি নিয়ে রয়েছে তাঁর বাস্তবধর্মী গবেষণা। জাতির পিতাকে নিয়ে তিনি লিখেছেন “বঙ্গবন্ধু-সমতা-সা¤্রাজ্যবাদ: বঙ্গবন্ধু ‘বেঁচে থাকলে’ কোথায় পৌঁছতো বাংলাদেশ?” শীর্ষক এক অমূল্য গ্রন্থ যে গ্রন্থটি সম্পর্কে প্রখ্যাত কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী তাঁর এক লেখায় আবুল বারকাতকে ‘বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে এদেশের বিজ্ঞ পাঠক সমাজকে বইটি পড়তে আহবান জানিয়েছিলেন। আবুল বারকাত অসংখ্য গবেষণা ও গ্রন্থ আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। যার প্রায়োগিক মূল্য অপরিসীম।

আমরা জানি ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আবুল বারকাত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নির্বাচনি ইশতেহার‒ ‘দিন বদলের সনদ’ ও ‘রূপকল্প ২০২১’ প্রণেতাদের অন্যতম। বাংলাদেশ সরকারের বাৎসরিক বাজেট প্রণয়নে তিঁনি মূল্যবান পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। তিঁনি বিভিন্ন সময়ে এদেশের জাতীয় দূর্যোগকালে সরকারকে অনেক মূল্যবান পরামর্শ ও মতামত দিয়েছেন যা থেকে এদেশ এবং জাতি অনেক উপকৃত হয়েছে। এমনকি আবুল বারকাত বিগত ছয় বছর যাবৎ বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি থেকে জাতির জন্য ‘বিকল্প বাজেট’ও উপস্থাপন করেন।

অধ্যাপক আবুল বারকাত ২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অর্পিত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান-এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ৫ বছর তিনি এই দায়িত্ব সূচারুভাবে পালন করেন। তাঁর সময়ে ব্যাংকটি সার্বিক দিক দিয়ে উন্নতি লাভ করে। তাসত্ত্বেও মেয়াদান্তে তাঁকে অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। তিনি এর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। অবশেষে, সময় নেন, অনুধাবন করার চেষ্টা করেন, কোথাও কী কোন ভুল তিনি করেছেন। তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, না তিনি কোন ভুল করেননি। তিনি একটি দূর্বৃত্তায়িত- রেন্টসিকার-পরজীবী-লুটেরা গোষ্ঠীর রোষানলে পড়েছেন। পরবর্তীকালে, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তিনি বলিষ্ঠ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যে প্রতিবাদের কোন প্রত্যুত্তর মেলেনি।

আবুল বারকাত হলেন সেই অর্থনীতিবিদ যিনি সর্বদা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেন। তিনি কোন রাজ কাহিনি বর্ণনাকারী অর্থনীতিবিদ নন। তিনি সাধারণ মানুষের কথা বলেন, তাদের নিয়ে সর্বদা চিন্তা করেন। সেজন্য তিনি গণমানুষের অর্থনীতিবিদ হিসেবে খ্যাত। তিনি অন্তরে ধারণ করে আছেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণের স্বপ্ন। প্রতি মুহূর্তে তিনি এদেশে বৈষম্যহীন সমাজ ও অসাম্প্রদায়িক আলোকিত সমাজ বির্নিমাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আবুল বারকাতের মত গণমুখী অর্থনীতিবিদ আমাদের দেশে বড় প্রয়োজন।

লেখক: ড. মতিউর রহমান, গবেষণা পরামর্শক, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (এইচডিআরসি), ঢাকা এবং শিশির রেজা, সহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।

সর্বশেষ