সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে জনগণের ম্যান্ডেটকে ‘অপমান’ করার অভিযোগ তুলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সংবিধান ‘সংস্কার’-এর পক্ষে গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করে সরকার ‘সংশোধন’-এর প্রস্তাব দিয়েছে অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে জনমত নিয়ে ফের রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জনগণ গণভোটে রায় দিয়েছে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে, সংশোধনের জন্য নয়। কিন্তু সরকার জনগণের সেই চূড়ান্ত রায়কে বেমালুম অগ্রাহ্য করে অপমান করেছে। এর প্রতিবাদেই আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছি।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে জনগণের ওপর যে ফ্যাসিবাদ চাপানো হয়েছিল, তার ছাঁদাকলে বিনা বিচারে ২ হাজার ৬৬৩ জন মানুষকে খুন করা হয়েছে। গুম হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি মানুষ, যাদের খোঁজ আজও মেলেনি। আয়নাঘরের মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করে মানুষকে ৮-৯ বছর বন্দি রাখা হয়েছে। সেই অমানবিক ব্যবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান এবং সংবিধান সংস্কারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়েই আমরা ওয়াকআউট করেছি। তবে আমরা সংসদ ছেড়ে দিইনি। আমরা এখন আবার জনগণের কাছেই ফিরে যাবো। আমাদের ১১টি দলের জোট দ্রুতই বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে। জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনও পথ খোলা নেই।



